অনেকদিন ধরে ব্লগটায় কোনকিছু লিখা হচ্ছে না। অনেক কিছুই হয়ে গেছে এর মধ্যে। লিখি, লিখব, লিখছি করতে করতে লিখা হয়ে উঠে নাই কোনকিছুই। গত কয়েকদিনে করা কাজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে মজার একটা কাজ নিয়ে আজকে লিখতে বসলাম। কাজটি হল সোর্স থেকে লিনাক্স কার্নেল কম্পাইলেশন। অটো আপডেট / আপগ্রেড দিলে সাধারণত কার্নেল আপডেট হয় যেটা আমাদের প্যাকেজ ম্যানেজার করে দেয়। আমরা আজকে সেটা করবো না। আমরা কার্নেল এর সোর্স নামাবো এবং সেটি কম্পাইল করে ইনস্টল করবো। Continue reading
Author Archives: Rashedul Kabir
মৃত শরীর, মৃত মন
Quote
আমার ছোট্ট বারান্দা অন্ধকার করে
জোনাকিরাও একদিন খুজে নিল তোমার যাওয়ার পথ।
গিটারে জমে থাকা ধূলার মতন
কেবল আমিই পড়ে রইলাম জীবিত শরীরে মৃত মনের সুর তুলে।গতি আর গতিহীনতার ভারসাম্যহীন সমীকরণে একদিন
ঘরের দেয়াল খসে যায়,
জানালার খোপে বিষাক্ত অশ্বথ আলো শুষে নেয়,
বিছানার কোনে আমাদের যুগল ছবি
মৃত মাছের স্থবির চোখের মত চেয়ে থাকে।
একদিন
Status
একদিন তুমিও বিক্রি হও,
হৃদয়ের পুরাতন ক্ষত
পাপ ভেবে ভুলে যাও
ব্যাশ ওশেল স্ক্রিপ্টিং (পর্বঃ চার) ~ হ্যালো ওয়ার্ল্ড !
আজকে আমরা আমাদের প্রথম স্ক্রিপ্ট টি লিখব এবং সাথে সাথে স্ক্রিপ্ট লিখা ও রান করানোর জন্য প্রয়োজনীয় কমান্ড গুলো সম্পর্কে জানব।
স্ক্রিপ্ট লিখার জন্য আপনাকে একটি টেক্সট এডিটর ব্যবহার করতে হবে। যে কোন কমান্ড লাইন এডিটর, ( যেমন vi, emacs, nano, pico ) অথবা অন্য যে কোন এডিটর ( gedit, kwrite, geany, sublime text যেটি আপনার পিসিতে থাকে ) ব্যবহার করতে পারেন।
একটি স্ক্রিপ্ট ফাইলের প্রথম লাইনটি হবে আপনার ব্যাশ কমান্ড এর অ্যাড্রেস। সাধারনত এটি হল Continue reading
ব্যাশ ও শেল স্ক্রিপ্টিং (পর্বঃ তিন) ~ পাইপলাইন ও রিডাইরেকশন
ব্যাশ ও শেল প্রোগ্রামিং এর আজকের পর্বে ব্যাশ প্রোগ্রামিং এর কিছু মৌলিক বিষয় নিয়ে লিখব।
পাইপলাইনঃ
ব্যাশ প্রোগ্রামিং এর একটি মজার উপকরণ হল পাইপলাইন। একটি প্রসেস এর আউটপুটকে আরেকটি প্রসেস এর ইনপুট হিসেবে ব্যবহার করাকেই পাইপলাইনিং বলে। অর্থাৎ পাইপলাইনের মাধ্যমে কয়েকটি প্রসেস কে চেইন করে দেয়া যায়। পাইপলাইনের আইডিয়া দিয়েছিলেন Douglas McIlroy । Continue reading
ব্যাশ ও শেল স্ক্রিপ্টিং (পর্বঃ দুই) টার্মিনাল এর সাথে পরিচিতি
গত লিখায় লিনাক্স, ব্যাশ, শেল এসব নিয়ে বলেছিলাম। মূল প্রোগ্রামিং অংশে যাবার আগে এটি একটি প্রস্তুতিমূলক পোস্ট। এই লিখায় মূলত আমরা টার্মিনালের সাথেই পরিচিত হব।
গত লিখা পড়ে থাকলে নিশ্চয়ই বুঝে গিয়েছেন শেল প্রোগ্রামিং লিনাক্স এ করতে হবে। যে কোন লিনাক্স হলেই চলবে। আমি ওপেনস্যুসে ব্যবহার করি বেশিরভাগ সময়। উবুন্টু, ফেডোরা, ডেবিয়ান, রেডহ্যাট বা যে কোন লিনাক্স ডিস্ট্রো যেটি আপনার পছন্দ সেটি হলেই চলবে। শেল প্রোগ্রামিং করতে হয় টার্মিনাল এ বা কমান্ড প্রম্পট এ। অতএব আপনার পছন্দের ডিস্ট্রোতে কিভাবে টার্মিনাল খুলতে হয় সেটিও জানতে হবে ( টার্মিনাল এক এক ডিস্ট্রোতে এক এক ভাবে খোলা লাগে। উবুন্টুতে Ctrl+Alt+T দিলেই খুলে যায়। কোনটায় ডেস্কটপে রাইট ক্লিক করলে পাওয়া যায়.. লিনাক্স ডিস্ট্রো আল্লাহর রহমতে শতাধিক ( ১৩০ এর বেশি হবার কথা) কোনটায় টার্মিনাল কোথায় পাওয়া যায়, সেটা নিজ দায়িত্বে জেনে নিতে পারেন
) ।
আজ কারো জন্মদিনে…..
কয়েকবার ফোন করে ছেলেটা মন খরাপ করে ফোনটা পকেটে রেখে দিল।
একটু পরে এসএমএস ! আমি একটা মিটিং এ আছি। বোকা ফোনটা এত আস্তে বেজেছিল ছেলেটা শুনতেই পায় নি!
বেশ কিছুক্ষন পরে মেয়েটার ফোন এ এসএমএস, আমি ভিয়েতনাম ! যুদ্ধ করি ! অনেক গোলাগুলি! Continue reading
ব্যাশ ও শেল স্ক্রিপ্টিং (পর্বঃ এক) লিনাক্স, ব্যাশ, শেল, স্ক্রিপ্টিং কি ?
সাধারণ উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের কাছে লিনাক্স শব্দটি বেশ রহস্যময় একটি শব্দ। সবাই ই জানে লিনাক্স একটি অপারেটিং সিস্টেম। এটাও মানে যে লিনাক্স জিনিসটা উইন্ডোজ এর চাইতে
বেশি পাওয়ারফুল। বেশ একটা রহস্য রহস্য ভাব আছে লিনাক্স এ। এবং এমন কিছু একটা আছে যেটা লিনাক্স ব্যবহারকারীদের বাকি কম্পিউটার বযবহারকারীদের চাইতে আলাদা করে তোলে। Continue reading
জার্নি বাই লিনাক্স ~ এলিমেন্টারি ওএস
লাইটওয়েট লিনাক্স ডিস্ট্রোগুলো নিয়ে তেমন বেশি ঘাটাঘাটি করা হয়নি। তবে মাঝে মাঝে এগুলোর কয়েকটি বেশ নজর কাড়ে। এলিমেন্টারি ওএস এগুলোর একটি। এই প্রজেক্ট এর প্রথম রিলিজটির নাম জুপিটার। রিলিজ হয়েছে বেশ কিছুদিন আগে। আমি একটু দেরিতেই ইনস্টল করলাম।
এলিমেন্টারি ওএস এর মূল লক্ষ্য হল একটি হালকা, দ্রুত ও সুন্দর ডেস্কটপ উপহার দেয়া। উবুন্টু ১০.১০ এর উপর বানানো এই অপারেটিং সিস্টেমটি আসলেই বেশ দ্রুত। সুন্দরও। ইন্টারফেস উবুন্টুর কাছাকাছি। ডিফল্টভাবেই ডকি (Docky) দেয়া বলে শুরুতেই এটিকে বেশ আকর্ষণীয় মনে হয়। Continue reading
বোকাসোকা ভাবনাগুলো
বনের চাতক বাঁধল বাসা মেঘের কিনারায়,—
মনের চাতক হারিয়ে গেল দূরের দুরাশায় !
একটা অস্থিরতা সবখানে। সব, সবখানে। সবার মাঝে। সবাই অল্পতে রেগে যায়, অল্পতে গলে যায়, অল্পতে তুলকালাম ও ঘটায়! অনলাইনের এই দুনিয়ার সাথে যখন পরিচয়, তখন এটা যে সামাজিক আন্দোলনের কাজে লাগতে পারে এমন ধারণা খুব বেশি মানুষের ছিল না। Continue reading
