ব্যাশ ওশেল স্ক্রিপ্টিং (পর্বঃ চার) ~ হ্যালো ওয়ার্ল্ড !

আজকে আমরা আমাদের প্রথম স্ক্রিপ্ট টি লিখব এবং সাথে সাথে স্ক্রিপ্ট লিখা ও রান করানোর জন্য প্রয়োজনীয় কমান্ড গুলো সম্পর্কে জানব।

স্ক্রিপ্ট লিখার জন্য আপনাকে একটি টেক্সট এডিটর ব্যবহার করতে হবে। যে কোন কমান্ড লাইন এডিটর, ( যেমন vi, emacs, nano, pico ) অথবা অন্য যে কোন এডিটর ( gedit, kwrite, geany, sublime text যেটি আপনার পিসিতে থাকে ) ব্যবহার করতে পারেন।

একটি স্ক্রিপ্ট ফাইলের প্রথম লাইনটি হবে আপনার ব্যাশ কমান্ড এর অ্যাড্রেস। সাধারনত এটি হল Continue reading

ব্যাশ ও শেল স্ক্রিপ্টিং (পর্বঃ তিন) ~ পাইপলাইন ও রিডাইরেকশন

ব্যাশ ও শেল প্রোগ্রামিং এর আজকের পর্বে ব্যাশ প্রোগ্রামিং এর কিছু মৌলিক বিষয় নিয়ে লিখব।

পাইপলাইনঃ

ব্যাশ প্রোগ্রামিং এর একটি মজার উপকরণ হল পাইপলাইন। একটি প্রসেস এর আউটপুটকে আরেকটি প্রসেস এর ইনপুট হিসেবে ব্যবহার করাকেই পাইপলাইনিং বলে। অর্থাৎ পাইপলাইনের মাধ্যমে কয়েকটি প্রসেস কে চেইন করে দেয়া যায়। পাইপলাইনের আইডিয়া দিয়েছিলেন Douglas McIlroyContinue reading

ব্যাশ ও শেল স্ক্রিপ্টিং (পর্বঃ দুই) টার্মিনাল এর সাথে পরিচিতি

গত লিখায় লিনাক্স, ব্যাশ, শেল এসব নিয়ে বলেছিলাম। মূল প্রোগ্রামিং অংশে যাবার আগে এটি একটি প্রস্তুতিমূলক পোস্ট। এই লিখায় মূলত আমরা টার্মিনালের সাথেই পরিচিত হব।

গত লিখা পড়ে থাকলে নিশ্চয়ই বুঝে গিয়েছেন শেল প্রোগ্রামিং লিনাক্স এ করতে হবে। যে কোন লিনাক্স হলেই চলবে। আমি ওপেনস্যুসে ব্যবহার করি বেশিরভাগ সময়। উবুন্টু, ফেডোরা, ডেবিয়ান, রেডহ্যাট বা যে কোন লিনাক্স ডিস্ট্রো যেটি আপনার পছন্দ সেটি হলেই চলবে। শেল প্রোগ্রামিং করতে হয় টার্মিনাল এ বা কমান্ড প্রম্পট এ। অতএব আপনার পছন্দের ডিস্ট্রোতে কিভাবে টার্মিনাল খুলতে হয় সেটিও জানতে হবে ( টার্মিনাল এক এক ডিস্ট্রোতে এক এক ভাবে খোলা লাগে। উবুন্টুতে Ctrl+Alt+T দিলেই খুলে যায়। কোনটায় ডেস্কটপে রাইট ক্লিক করলে পাওয়া যায়.. লিনাক্স ডিস্ট্রো আল্লাহর রহমতে শতাধিক ( ১৩০ এর বেশি হবার কথা) কোনটায় টার্মিনাল কোথায় পাওয়া যায়, সেটা নিজ দায়িত্বে জেনে নিতে পারেন :P ) ।

Continue reading

ব্যাশ ও শেল স্ক্রিপ্টিং (পর্বঃ এক) লিনাক্স, ব্যাশ, শেল, স্ক্রিপ্টিং কি ?

সাধারণ উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের কাছে লিনাক্স শব্দটি বেশ রহস্যময় একটি শব্দ। সবাই ই জানে লিনাক্স একটি অপারেটিং সিস্টেম। এটাও মানে যে লিনাক্স জিনিসটা উইন্ডোজ এর চাইতে
বেশি পাওয়ারফুল। বেশ একটা রহস্য রহস্য ভাব আছে লিনাক্স এ। এবং এমন কিছু একটা আছে যেটা লিনাক্স ব্যবহারকারীদের বাকি কম্পিউটার বযবহারকারীদের চাইতে আলাদা করে তোলে। Continue reading

বাবা-মা প্রোগ্রাম বাচ্চা-কাচ্চা প্রোগ্রাম !

হুম, নাম দেখে চমকে গেলেন? প্রোগ্রামের আবার বাবা-মা কি, বাচ্চা-কাচ্চাই বা আসলো কোথা থেকে? না ভয় পাবেন না। কোন যুগান্তকারী আবিষ্কারের কথা বলতে আসিনি, আমি প্যারেন্ট প্রসেস আর চাইল্ড প্রসেস এর কথা বলছি।
আগে একটু হালকা ভূমিকা দিয়ে নেই। একসময় কম্পিউটার কেবল একটি প্রোগ্রাম একবারে হ্যান্ডেল করতে পারত। সেটা অনেক আগের কথা। এখনকার কম্পিউটার আর আধুনিক ওএস (লিনাক্স,উইন্ডোজ,ম্যাক) গুলো এক সাথে অনেকগুলো প্রোগ্রাম হ্যান্ডেল করতে পারে। এগুলোকে আমরা বলি মাল্টিটাস্কিং ওএস। তো কাজের কথা হল মাল্টিটাস্কিং ওএস গুলো কিন্ত প্রকৃতপক্ষে মাল্টিটাস্কিং না। আধুনিক প্রসেসর এর ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ওএস গুলো একটি বিষেশ প্রক্রিয়ায় সবগুলো চলমান প্রোগ্রাম বা প্রসেস এর মধ্যে সময়টা ভাগ করে দেয়। আসলে একবারে একটি প্রসেসই চলে কিন্তু প্রসেস গুলো এত দ্রুত একটার পরে আরেকটা চক্রাকারে চলতে থাকে যে মনে হয় সবগুলো একই সাথে চলছে। Continue reading

ফেসবুক দিচ্ছে হ্যাকার কাপ !

ফেসবুক এবার দিচ্ছে হ্যাকার কাপ! কি অবাক হলেন? না, অবাক হবার কিছু নেই, ক্ষতিকর বা ভয়ঙ্কর কোড লিখে পৃথিবীর সব দুর্ভেদ্য কম্পিউটারে হানা দেয় এমন হ্যাকার না, ফেসবুকের দরকার যারা তাদের মেধা আর শ্রম কে ব্যাবহার করবে ভালো কাজে, এমন সব দক্ষ প্রোগ্রামার। আর তাই তারা Continue reading

হ্যালো লিনাক্স !

লিনাক্সের সি প্রোগ্রামিং কি উইন্ডোজের সি এর চাইতে আলাদা? একদিক দিয়ে আলাদা আবার আরেকদিক দিয়ে একই। ল্যাঙ্গুয়েজ এলিমেন্ট গুলো যেমন ডাটা টাইপ, কন্ট্রোল ইন্সট্রাকশন এমনকি সিনটেক্স গুলোও একই। তাহলে পার্থক্য কোথায়? পার্থক্য লাইব্রেরি গুলোর গঠনে। উইন্ডোজের আর লিনাক্সের এর গঠন একরকম নয়। তবে এটা নিয়ে আমাদের মাথা না ঘামালেও চলবে। কারণ উইন্ডোজে printf যে কাজ করে Continue reading

সি কম্পাইলার ও আইডিই ইন্সটল

সি প্রোগ্রামিং শুরু করার পর থেকে বিভিন্ন আই ডি ই ব্যাবহার করেছি। সবার আগে যেটা করেছি সেটি হল টিসি। যদিও অনেক অনেক দিন আগেই এই কম্পিলার ও আইডিই বিলুপ্ত হয়ে গেছে তবুও, কেন যানি না আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এখনও ছাত্রদেরকে এটা ব্যবহার করতে বলে, অবশ্য নতুনদের জন্য খারাপ না। এর কিছুদিন পরে পরিচয় হল মাইক্রোসফট এর ভিস্যুয়াল স্টুডিও এর সাথে তাও ২০০৬ ভার্সন। অনেকদিন কাজ করতে করতে টিসি এর নীল মনিটরের প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম, তাই ভিস্যুয়াল স্টুডিও কেমন যেন অচেনা মনে হচ্ছিল প্রথম দিকে। পরে আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে গেল।

আরও পরে লিনাক্স ব্যাবহারের দিকে ঝুকলাম এবং অবাক হতে থাকলাম দেখে যে আইডিই এবং কম্পাইলার এর জগথ কত সমৃদ্ধ।এর বেশ কিছুর ইউন্ডোজ ভার্শন ও আছে, বলা চলে সবগুলোর ই আছে। আমি নিজে সবচেয়ে অবাক হয়েছি উইন্ডোজের জন্য জিনি আইডিই দেখে। মাত্র ৮ মেগাবাইটের এই আইডিই তে এইচটিএমএল থেকে শুরু করে সি,সি প্লাস প্লাস,জাভা এমনকি পাইথন পর্যন্ত সব কিছুই লিখা যায়, আবার এই কম্পাইলার কোড অ্যাসিস্ট ও করে। Continue reading

সি ল্যাঙ্গুয়েজ শেখার জন্য আমার পড়া কয়েকটি বই

একটি প্রোগ্রামিং ভাষা শেখা অনেকটা নতুন একটি ভাষা শেখার মতই। ভাষার যেমন ব্যাকরণ আছে তেমনি প্রোগ্রামিং এর ও। একটি নতুন ভাষা শেখার জন্য যেমন ওই ভাষার ব্যাকরণ, গঠন, প্রকাশভঙ্গী এসব জানতে হয় তেমনিভাবেই সি শেখার জন্য ও সি এর বিভিন্ন নিয়মকানুনগুলো জানতে হবে।

আমার মতে শেখার জন্য বইয়ের কোনো বিকল্প নেই। অনেকেই আছে যারা অনলাইনে শেখার কথা বলে, আমার মতে সবচেয়ে ভালো হয় যদি একটি বই এবং কম্পিউটার নিয়ে বসে যাওয়া যায়। নিজে নিজে চেস্টা করে করে শেখা অনেক বেসি কার্যকর প্রোগ্রামিং শেখার ক্ষেত্রে। আমি নিজে যেসব বই পছন্দ করি সেগুলোর নামগুলো আমি আজকে বলি। বলার আগে অবস্যই বলে রাখি এগুলো আমার নিজের ভালোলাগা বই, আপনাদের ভাল লাগতেও পাএর নাও পারে, তবে ভালো লাগুক বা না লাগুক আশা করি আপনারা ও আপনাদের পছন্দের বা বিশেষ কাজে আসে এমন বইগুলোর নাম বলে আমাকে সাহায্য করবেন।

বইয়ের কথা বলতে গেলে প্রথমে আসে Continue reading

ওয়েবসাইটে মাউসের ডান বোতাম চাপতে না দিলে যা করা যেতে পারে

সমস্যাটা আসলে শুরু হয়েছিলো রিয়া আপুর ব্লগ থেকে। আমার অন্যতম প্রিয় এই ব্লগার আপু তার লিখার গুণে আমার মন জয় করে নিয়েছেনঅনেক আগেই। নিয়মিত পড়া ব্লগগলোর তালিকায় আপুর ব্লগ সম্ভবত একেবার শুরুতেই থাকবে। লিখার পাশাপাশি তার টেমপ্লেট বাছাইয়ের চমক তো আছেই। সমস্যাটা হয়েগেলো অন্য জায়গায়। আপু ওয়ার্ডপ্রেসের ওপর রাগ করে তার ব্লগ ব্লগারে সরিয়ে নিলেন। যথারিতী আমিও হাজির। ব্লগটা একটু গুছিয়ে নিতেই যাওয়া শুরু করলাম নিয়মিত।

যে কোনো ওয়েবসাইট বা ব্লগে গেলে আমি সবসময়ই একটা পোস্ট বা টপিক পড়ার সময় পেছনের ট্যাবে অন্যান্ন লিঙ্ক বা টপিকগুলো খুলতে থাকি, একটি পোস্ট পড়া শেষ হতে না হতে বাকীগুলো পেছনে লোড হয়ে যায়। একেবারেই দেখে নেয়া যায়। কিন্তু আপু বাধিয়ে দিলেন নতুন সমস্যা,তার ব্লগে মাউসের ডান বোতাম চাপতে দেবেন না। Continue reading