সোর্স থেকে লিনাক্স কার্নেল কম্পাইলেশন ও ইনস্টল

অনেকদিন ধরে ব্লগটায় কোনকিছু লিখা হচ্ছে না। অনেক কিছুই হয়ে গেছে এর মধ্যে। লিখি, লিখব, লিখছি করতে করতে লিখা হয়ে উঠে নাই কোনকিছুই। গত কয়েকদিনে করা কাজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে মজার একটা কাজ নিয়ে আজকে লিখতে বসলাম। কাজটি হল সোর্স থেকে লিনাক্স কার্নেল কম্পাইলেশন। অটো আপডেট / আপগ্রেড দিলে সাধারণত কার্নেল আপডেট হয় যেটা আমাদের প্যাকেজ ম্যানেজার করে দেয়। আমরা আজকে সেটা করবো না। আমরা কার্নেল এর সোর্স নামাবো এবং সেটি কম্পাইল করে ইনস্টল করবো। Continue reading

ব্যাশ ওশেল স্ক্রিপ্টিং (পর্বঃ চার) ~ হ্যালো ওয়ার্ল্ড !

আজকে আমরা আমাদের প্রথম স্ক্রিপ্ট টি লিখব এবং সাথে সাথে স্ক্রিপ্ট লিখা ও রান করানোর জন্য প্রয়োজনীয় কমান্ড গুলো সম্পর্কে জানব।

স্ক্রিপ্ট লিখার জন্য আপনাকে একটি টেক্সট এডিটর ব্যবহার করতে হবে। যে কোন কমান্ড লাইন এডিটর, ( যেমন vi, emacs, nano, pico ) অথবা অন্য যে কোন এডিটর ( gedit, kwrite, geany, sublime text যেটি আপনার পিসিতে থাকে ) ব্যবহার করতে পারেন।

একটি স্ক্রিপ্ট ফাইলের প্রথম লাইনটি হবে আপনার ব্যাশ কমান্ড এর অ্যাড্রেস। সাধারনত এটি হল Continue reading

ব্যাশ ও শেল স্ক্রিপ্টিং (পর্বঃ তিন) ~ পাইপলাইন ও রিডাইরেকশন

ব্যাশ ও শেল প্রোগ্রামিং এর আজকের পর্বে ব্যাশ প্রোগ্রামিং এর কিছু মৌলিক বিষয় নিয়ে লিখব।

পাইপলাইনঃ

ব্যাশ প্রোগ্রামিং এর একটি মজার উপকরণ হল পাইপলাইন। একটি প্রসেস এর আউটপুটকে আরেকটি প্রসেস এর ইনপুট হিসেবে ব্যবহার করাকেই পাইপলাইনিং বলে। অর্থাৎ পাইপলাইনের মাধ্যমে কয়েকটি প্রসেস কে চেইন করে দেয়া যায়। পাইপলাইনের আইডিয়া দিয়েছিলেন Douglas McIlroyContinue reading

ব্যাশ ও শেল স্ক্রিপ্টিং (পর্বঃ দুই) টার্মিনাল এর সাথে পরিচিতি

গত লিখায় লিনাক্স, ব্যাশ, শেল এসব নিয়ে বলেছিলাম। মূল প্রোগ্রামিং অংশে যাবার আগে এটি একটি প্রস্তুতিমূলক পোস্ট। এই লিখায় মূলত আমরা টার্মিনালের সাথেই পরিচিত হব।

গত লিখা পড়ে থাকলে নিশ্চয়ই বুঝে গিয়েছেন শেল প্রোগ্রামিং লিনাক্স এ করতে হবে। যে কোন লিনাক্স হলেই চলবে। আমি ওপেনস্যুসে ব্যবহার করি বেশিরভাগ সময়। উবুন্টু, ফেডোরা, ডেবিয়ান, রেডহ্যাট বা যে কোন লিনাক্স ডিস্ট্রো যেটি আপনার পছন্দ সেটি হলেই চলবে। শেল প্রোগ্রামিং করতে হয় টার্মিনাল এ বা কমান্ড প্রম্পট এ। অতএব আপনার পছন্দের ডিস্ট্রোতে কিভাবে টার্মিনাল খুলতে হয় সেটিও জানতে হবে ( টার্মিনাল এক এক ডিস্ট্রোতে এক এক ভাবে খোলা লাগে। উবুন্টুতে Ctrl+Alt+T দিলেই খুলে যায়। কোনটায় ডেস্কটপে রাইট ক্লিক করলে পাওয়া যায়.. লিনাক্স ডিস্ট্রো আল্লাহর রহমতে শতাধিক ( ১৩০ এর বেশি হবার কথা) কোনটায় টার্মিনাল কোথায় পাওয়া যায়, সেটা নিজ দায়িত্বে জেনে নিতে পারেন :P ) ।

Continue reading

ব্যাশ ও শেল স্ক্রিপ্টিং (পর্বঃ এক) লিনাক্স, ব্যাশ, শেল, স্ক্রিপ্টিং কি ?

সাধারণ উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের কাছে লিনাক্স শব্দটি বেশ রহস্যময় একটি শব্দ। সবাই ই জানে লিনাক্স একটি অপারেটিং সিস্টেম। এটাও মানে যে লিনাক্স জিনিসটা উইন্ডোজ এর চাইতে
বেশি পাওয়ারফুল। বেশ একটা রহস্য রহস্য ভাব আছে লিনাক্স এ। এবং এমন কিছু একটা আছে যেটা লিনাক্স ব্যবহারকারীদের বাকি কম্পিউটার বযবহারকারীদের চাইতে আলাদা করে তোলে। Continue reading

জার্নি বাই লিনাক্স ~ এলিমেন্টারি ওএস

লাইটওয়েট লিনাক্স ডিস্ট্রোগুলো নিয়ে তেমন বেশি ঘাটাঘাটি করা হয়নি। তবে মাঝে মাঝে এগুলোর কয়েকটি বেশ নজর কাড়ে। এলিমেন্টারি ওএস এগুলোর একটি। এই প্রজেক্ট এর প্রথম রিলিজটির নাম জুপিটার। রিলিজ হয়েছে বেশ কিছুদিন আগে। আমি একটু দেরিতেই ইনস্টল করলাম।

এলিমেন্টারি ওএস এর মূল লক্ষ্য হল একটি হালকা, দ্রুত ও সুন্দর ডেস্কটপ উপহার দেয়া। উবুন্টু ১০.১০ এর উপর বানানো এই অপারেটিং সিস্টেমটি আসলেই বেশ দ্রুত। সুন্দরও। ইন্টারফেস উবুন্টুর কাছাকাছি। ডিফল্টভাবেই ডকি (Docky) দেয়া বলে শুরুতেই এটিকে বেশ আকর্ষণীয় মনে হয়। Continue reading

যাচ্ছে দিন, লিনাক্সে

লিনাক্স জিনিসটা নেশার মতন আমার কাছে। কমিউনিটি,ব্লগ,ফোরাম থেকে হাত গুটিয়ে নিয়েছি, তবুও লিনাক্স ছাড়তে পারি নি। আসলে ছাড়া যাবেও না। কম্পিউটার নিয়ে খেলা করার এমন চমৎকার খেলনা তো আর একটিও নেই। জিনিসটা রোমাঞ্চ উপন্যাস হয়ে গেছে এখন। পাতায় পাতায় রোমাঞ্চ। Continue reading

ম্যানড্রিভা ২০১১ ( এ জার্নি বাই লিনাক্স )

বেশ কিছুদিন ধরে লিখালিখি বন্ধ। তেমন একটা লিখতে ইচ্ছে করে না ইদানিং। যদিও লিনাক্স নিয়ে নাড়াচাড়া থেমে নেই। মাঝখানে বেশ কয়েকটা লিনাক্স ডিস্ট্রো চালিয়ে দেখলাম। উবুন্টু, মিন্ট, ফেডোরা বা সুযে এর মত পরিচিত না হলেও বেশ কিছু লিনাক্স ডিস্ট্রো নিজ নিজ বৈশিষ্টের জন্য আলাদা। এরকম কয়েকটা লিনাক্স নিয়ে হয়ত আগামী কয়েকটা পোস্ট লিখব। আজকের পোস্ট ম্যানড্রিভা নিয়ে। লিখার আগে আমার ডেস্কটপের বর্তমান চেহারাটা একবার দেই ( বড় করে দেখার জন্য ছবিতে ক্লিক করুন ) । Continue reading

প্রথম দেখায় গ্নোম ৩

নতুন প্রজন্মের গ্নোম, গ্নোম ৩ ডাউনলোড করলাম ওপেনস্যুযেতে। ওপেস্যুযেতে ইনস্টল করা বেশ সহজ। ওয়ান ক্লিক ইনস্টলার দিয়েই ইনস্টল করে ফেলা যায়। মোট প্রায় ৭৪০ মেগাবাইটের মত ডাউনলোড করতে হয়। রাতে ইনস্টল দিয়ে ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। সকালে পিসি অন করে গ্নোমে বুট করলাম।

Continue reading

উবুন্টু ১১.০৪ এ থাকছে না রিলিজ ক্যান্ডিডেট

উবুন্টু একের পর এক নতুন নতুন পরিবর্তন আনছে। ১১.০৪ এর পরিবর্তনের খাতায় এবার আরো একটি নতুন লাইন যোগ হল। উবুন্টু ১১.০৪ এ কোন রিলিজ ক্যান্ডিডেট থাকছে না। এর বদলে দেয়া হবে বেটা ২ । উবুন্টুর আরসি বা রিলিজ ক্যান্ডিডেট পাবলিশের ডেট ছিল ২১ এপ্রিল। এখন বলা হয়েছে ২১ এপ্রিল আরসি এর পরিবর্তে ১৪ এপ্রিল একটি রিলিজ দেয়া হবে বেটা ২ নামে। এবং আর কোন রিলিজ ক্যান্ডিডেট থাকছে না।

আপাতত যা জানা গেছে তা অনুযায়ী উবন্টু ১১.০৪ এর রিলিজ শিডিউল হচ্ছেঃ

২ ডিসেম্বরঃ আলফা ১

৩ ফেব্রুয়ারিঃ আলফা ২

৩ মার্চঃ আলফা ৩

৩১ মার্চঃ বেটা ১

১৪ এপ্রিলঃ বেটা ২

২৮ এপ্রিলঃ উবুন্টু ১১.০৪